শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ফেসবুকে চালু হলো ওয়ান টাইম/ টেম্পরারি পাসোয়ার্ড সুবিধা!

প্রতিনিয়ত ফেসবুক আনছে নতুন নতুন পরিবর্তন, পরিবর্ধন।
ঠিক এবার ব্যাবহারকারীদে নিরাপত্তার ব্যাপারে চিন্তা করে ফেসবুক এনেছে আরো দারুন একটি পরিবর্তন।
আর এবার ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরো বাড়ানোর জন্য ‘ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড’ সুবিধা চালু করেছে।
ফেসবুক টেম্পরারি /ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড 
এই ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড সিস্টেমের মাধ্যমে যেকোন ফেসবুক ব্যাবহারকারী চাইলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি টেম্পরারি পাসোয়ার্স পেতে পারে যেটা আবার নির্দিষ্ট সময় পর কাজ করবে না। এতা কে যদি কেউ আপনার পাসোয়ার্ডটি জেনেও যায় তবুও সে আপনার আইডিতে লগইন বা এ ধরনের কিছু করতে পারবে না। 

এ ব্যাপারে ফেইসবুক জানিয়েছে, ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই অন্যের কম্পিউটার ব্যবহার করে ফেইসবুকে লগ-ইন করেন। অনেক কম্পিউটারেই বিভিন্ন ধরনের ‘কি লগার’ সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে, যেগুলো ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করে রাখে। অনেক সময় ব্রাউজারও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে। ফলে পরবর্তী সময়ে অন্য ব্যবহারকারী এসব পাসওয়ার্ড দেখার সুযোগ পায়। এ ঝুঁকি থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে ‘ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড’ ফিচার চালু করা হয়েছে।
ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কেবল ২০ মিনিটের জন্য কার্যকর থাকবে। ফলে অন্য কেউ পরবর্তী সময়ে এই পাসওয়ার্ড পেয়ে গেলেও ফেইসবুকে লগ-ইন করতে পারবে না। 

কি ভাবে পাবেন ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড?

 ব্যবহারকারীরা নিজের ফেইসবুক একাউন্টের সাথে যুক্ত ফোন নম্বর থেকে G OTP লিখে ৩২৬৬৫ নাম্বারে মেসেজ পাঠালে পাঠালেই ফিরতি এসএমএসে একটি টেমপোরারি পাসওয়ার্ড পাবেন। এবং এতে কোন টাকা কাটবে না। এ পাসওয়ার্ডটি দিয়ে যেকোনো কম্পিউটার থেকেই নিশ্চিন্তে লগ-ইন করতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের এ টেমপোরারি পাসওয়ার্ড ২০ মিনিটের জন্য কার্যকর থাকবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র বাংলালিংক ব্যবহারকারীরাই এই সুবিধাটি পাচ্ছেন।

তবে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এটি প্রায় সকল সিমেই চালু করা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

নিয়মিত আপডেট পেতে আরো জানি ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন । 

সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

জ্যাক ম্যা: হতভাগা বোকা ছাত্র থেকে চীনের শ্রেষ্ঠ ধনী হবার গল্প

প্রাচীন রুপকথায় আলী বাবার চিচিঙ ফাঁকের কাহিনী তো সবারই জানা।
ওই যে, চল্লিশ চোরের আস্তানার সামনে দাঁড়িয়ে আলী বাবা চিৎকার করলেন, চি..চি..ঙ ফাঁক। অমনি মড় মড় করে খুলে গেলো গুহার পাথুরে
দরজা। ভেতরে বিশাল রত্নভাণ্ডার। আর সেই ধনরত্ন দিয়েই কাঠুরি আলিবাবা হয়েগেলো বড়লোক।

বলছিলাম প্রাচীন রুপকথা, কিন্তু অাশ্চার্যের বিষয় এই বিংশ শতাব্দীতেও এমন একজন মানুষ সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছেন যিনিও কি না আলিবাবা দিয়েই হয়ে উঠেছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধনীব্যক্তিদের একজন। 

জ্যাক ম্যা
তার নাম জ্যাক ম্যা। বাড়ি চীনের হ্যাঙ্গজুই শহরে। বর্তমানে তার বয়স ৫০। ছাত্রবেলায় তিনি ছিলেন বোকা ছাত্র অর্থাৎ যাকে আমরা ব্যাঙ্গ করে বলি গাধা। 
কিন্তু কে জানতো চীনের এই বোকা ছাত্রটি হয়ে উঠবে চীনের শ্রেষ্ঠ ধনী?

জ্যাক ম্যা তার জীবনের প্রথম ভর্তি পরিক্ষায় ফেল করেন টানা ২ বার। বিসমিল্লাহতেই গলদ করেই এই ছাত্র বহু কস্টে শিক্ষাজীবনে ১৭ বার ফেল করে গিয়েছিলো কলেজ পর্যন্ত।
কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় পর পর দুইবার ফেল করে সবশেষে এই অভিশপ্ত শিক্ষাজীবন ত্যাগ করতে বাধ্য হন। বাধ্য হয়েও তিনি জীবনের হাল ছাড়েননি।

বোকা ফেল্টুস ছাত্র হয়েও তিনি পড়তে চেয়েছিলেন হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের মত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কলেজের একটি। সেখানেও ব্যার্থ হন তিনি। একবার না টানা ১০ বার চেস্টা চালিয়েছিলেন হার্ভাডে পড়ার জন্য কিন্তু ভগ্য সবার সহায় হয়না।

এই কপালপোড়া মানুষটার শিক্ষাজীবন শুধুমাত্র দুর্দশায় যায়নি, KFC যখন চীনে তাদের ব্যাবসার জন্য আসে তখন জ্যাক ম্যা সহ ২৪ জন kfc তে চাকরির জন্য আবেদন করেন।
সেখানে ২৩ জনের চাকরি হলেও বাদ পড়ে যান হতভাগা ম্য।

এমন ব্যার্থতার গ্লানি বইতে বইতে ক্লান্ত হয়ে  পড়া লেখা ছেড়ে শিক্ষকতার প্রশিক্ষণ নেনন জ্যা মা । এক বন্ধুর পরামর্শে মা ইয়ান থেকে তিনি ধারণ করেন নতুন নাম, জ্যাক মা। পরে ইংরেজীর শিক্ষক হিসাবে মাত্র ১০ ইয়েনের (চীনের মুদ্রার নাম ইয়েন) চেয়েও কম বেতনে শিক্ষকতার চাকরি নেন জ্যা ম্যা ।

অভাব অনটনে চলতে থাকে দিন। এর মধ্যে একবার যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে যান ম্যা। সময়টা ছিলো ১৯৯৫ সাল। সেখানে দেখেন অনেকেই ইন্টারনেটভিত্তিক নানা ধরনের ব্যবসা করছেন। তার মনেও এ ধরনের চিন্তা আসে। তিনি হিসাব করে দেখেন, সামনের দিনগুলোতে ইন্টারনেটের সম্ভাবনা ব্যাপক।

দেশে ফিরে ম্যা পণ্য কেনা বেচার একটি ওয়েবসাইট খুলে বসেন। যার নাম দেন  ‘আলী বাবা ডট কম’। হয়তো তিনি কখনোই জানতেননা যে তার এই আলিবাবা একদিন তাকে চি চিং ফাকের মত করেই এক অভাগা বোকা ছাত্র থেকে করে তুলবে চীনের শ্রেষ্ঠ ধনী জ্যাক ম্যা তে। 

আলিবাবা ডট কম / Alibaba.com

যাইহোক, তার এ ব্যবসার দিকে ঝুঁক তৈরি হওয়ার পেছনে আরো একটি কারণ আছে। ম্যা জানান, তিনি হলিউডের গাম্প ফরেস্ট সিনেমার প্রধান চরিত্রকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। লোকটি চাল চলনে, পোশাকে আশাকে মোটেও স্মার্ট ছিলো না। আর আহামরি ধরনের মেধাও ছিলো না তার। কিন্তু তিনি এক নাগারে পরিশ্রম করতে পারেন। সিনেমার সেই চরিত্রের পরিশ্রম দেখেই উদ্বুদ্ধ হয়েছেন ম্যা। তিনিও আলী বাবার পেছনে ব্যাপক শ্রম ঢালতে লাগলেন। আর কথায় আছে, লেগে থাকলে মেগে খায় না। তিনি
এখন চীনের ধনী লোকদের একজন। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ আরো অনেক অনেক দেশে তার কেনাবেচার জাল ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তার এই ওয়েবসাইটটির মূল্য, প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ইয়েন।

কি এমন সেবা দেয় ওয়েবসাইটটি?

ম্যার এই আলী বাবা ওয়েবসাইটটির প্রধান সেবা হলো অনলাইনে কেনা কাটা। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সারা বিশ্ব থেকে চীনে উৎপাদিত যে কোনো পণ্য কেনা যাবে। এর কারণে এটি চীনের বড় একটি কেনাকাটার ওয়েবসাইটে পরিণত
হয়েছে। 

এটি টুইটারের চীনা ভার্সন হিসাবে সামাজিক যোগাযোগের কাজও করে। ইউটিউবের মতো সেবা আছে এদের। ভিডিওর জন্য চীনে বহুলব্যবহৃত এই আলী বাবা। আলী বাবা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিভিন্ন তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে। এবং এ ওয়েবসাইটটি থেকে চলচ্চিত্রও প্রযোজনা করা হয়।

বর্তমানে জ্যাক ম্যা চীনের শ্রেষ্ঠ ধনী এবং পৃথিবীর ৩৩ নাম্বার ধনী ব্যাক্তি।

জ্যাক ম্যার জীবনের গল্প আমাদের বুঝিয়ে দেয় জীবনে হাল ছেড়ে না দিয়ে বারবার চেষ্টা করলে সফলতা অাসবেই।
হয়তোবা কারো আজ অথবা কারো কাল। 

নিয়মিত আপডেট পেতে আরো জানি ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন । 

রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৭

মানুষের মাংস খাওয়ার যত গল্প !


আলিফ লায়লা, হাতিম, টারজান এবং অন্যন্য সিরিজগুলো যদি দেখে থাকেন তবে নিশ্চই মানুষের মাংস খাওয়ার ব্যাপারগুলো আপনার চোখে পড়েছে।

প্রাচীন রুপকথায় বিভিন্ন দৈত্য দানব বা অদ্ভুদ প্রানীরা মানুষের মাংস খাওয়ার কাহিনী উঠে এসেছে।

এটা কেবল রুপকথাই। কিন্তু যদি এমন হয় যে স্বয়ং মানুষ হয়েও মানুষের মাংস খায় তবে চোখ কপালে উঠা অস্বাভাবিক কিছু না।
ক্যানিবালিজম: মানুষ যখন মানুষ খায়! 
জ্বি, এটা কোন রুপকথা না। বর্তমান এবং অতীতে এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলা জানান দেয় স্বয়ং মানুষ মানুষের মাংস খায়। কখনোবা মৃতদের মাংস কখনোবা হিংস্রতার সীমা ছাড়িয়ে জীবিতদের মাংস!

বিভিন্ন বই বা কাহিনীতে মানুষখেকোদের বর্ণনা থাকলেও একবিংশ শতাব্দিতেও পৃথিবী থেকে এদের অস্তিত্ব মিলিয়ে যায়নি।
বিশ্বে বেশ কিছু দুর্গম স্থান এখনও রয়েছে, যেখানে সভ্যতার আলো পৌঁছায়নি। আবার কোথাও কোথাও এই ভয়ানক ব্যাপারটির অবসান ঘটেছে মাত্রই। আজ আলোচনা করব এমন কিছু জায়গা, ঘটনা এবং সম্প্রদায় নিয়ে।

১. ভারত:  ভারতের বারাণসীতে এখনও একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে মানুষ খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। আঘোরি সাধু নামে বিশেষ এক সন্নাসী সম্প্রদায় রয়েছে যারা মৃত মানুষের মাংস খেয়ে থাকে। শুধু মৃত মানুষের মাংসই নয় যত খারাপ এবং নিম্নপর্যায়ের খাদ্যবস্তু আছে সবই খায় এরা। ময়লা আবর্জনা থেকে শুরু করে মৃত মানুষের মাংস পর্যন্ত। বর্নিত আছে এটা মৃত মানুষের দেহের উপর বসে ধ্যান করে এবং তাদের শরীরের মাংস খায়।
অঘোরি সাধু

২. পাপুয়া নিউগিনি: দেশটির পশ্চিমে কোরোয়াই উপজাতির মানুষেরা প্রতিশোধ হিসেবে মানুষের মাংস খেয়ে থাকে। ইন্দোনেশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলটিতে এখনও এই সম্প্রদায়ের অন্তত ৩ হাজার মানুষ রয়েছে। ভিন্ন সম্প্রদায়ের সাথে সংঘাত ঘটলে নিজেরে ক্ষমতা দেখাতে এরা অন্য সম্প্রদায়ের লোকেদের ধরে এনে তাদের মাংস খায়। মাঝে মাঝে দলনেতা খাওয়ার মতো মানুষের সন্ধান না পেলে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনের মাংসও খেয়ে থাকে। এর মাঝে এরা নিজেদের মধ্যে নিজেদের ক্ষমতা জাহিরের প্রচেষ্টা চালায়।
কোরোয়াই উপজাতি

৩. সিগাটোকা, ফিজি: দেশটিতে একসময় মানুষখেকোরা থাকলেও এখন তাদের দেখা পাওয়া যায় না। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে এই অঞ্চলে চন্দন ব্যবসায়ীরা আসা যাওয়া শুরু করলে আদিবাসীদের মাঝেও সভ্যতার আলো পৌঁছাতে থাকে। যদিও বলা হয় এই দ্বীপাঞ্চলটির কোথাও কোথাও এখনও মানুষ খাওয়ার প্রবণতা মিলিয়ে যায়নি। তবে এটা এখন কেবল কল্পনা মাত্র। তবে হ্যা, সিগাটোকার নাইহেহে গুহায় যেসব নিদর্শন মিলেছে, তাতে স্পষ্টই বোঝা গেছে যে মানুষখেকোরা আসলে মিলিয়ে যায়নি।

৪. কঙ্গো: আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলীয় দেশটির আদিবাসীদের মাঝে এখনও মানুষ খাওয়ার প্রবনতা মিলিয়ে যায়নি। প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে মানুষের মাংস খাওয়ার অভ্যাস আছে তাদের। ২০০৩ সালের গোড়ার দিকে কঙ্গোর বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে মানুষ খাওয়ার অভিযোগ তোলে খোদ জাতিসংঘ। দ্বিতীয় কঙ্গো যুদ্ধের পর সরকারের এক প্রতিনিধি তাদের কর্মীদের জীবন্ত ছিড়ে খাওয়ার জন্য বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যন্ত তোলেন।

৫. জার্মানি: আশ্চর্য হলেও সত্যি, জার্মানিতে মানুষের মাংস খাওয়া কোনো অপরাধ নয়। আর সেজন্যই ২০০১ সালের মার্চে আর্মিন মাইভাস নামের এক জার্মান নাগরিক রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষ খেলেও তার বিরুদ্ধে খুনের মামলা ছাড়া কোনো অভিযোগ আনেনি পুলিশ। মানুষ খাওয়ার উদ্দেশে ‘দি ক্যানিবাল ক্যাফে’ নামের একটি ওয়েবসাইটে সুঠামদেহী, জবাইযোগ্য এবং আহার হতে চাওয়া মানুষের সন্ধান চেয়ে বিজ্ঞাপন দেন আর্মিন। অনেকে আগ্রহী হলেও বার্ন্ড জুর্গেন ব্রান্ডিসকে পছন্দ করেন আর্মিন। এরপর জার্মানির ছোট্ট গ্রাম রটেনবার্গে দুজনে মিলিত হন। একপর্যায়ে ব্রান্ডিসকে হত্যা করে প্রায় ১০ মাস তার মাংস খান আর্মিন মাইভাস। ২০০২ সালে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিচারে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

এটাতো গেলে ঘটনা। তবে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কমান্ডো ফোর্সকে দূর্গম অঞ্চলে টিকে থাকার জন্য কাচা মাংস খাওয়ার ট্রেনিং দেয়া হয়ে থাকে।

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

২০১৮ তে রাজত্ব করবে যেসব স্মার্টফোন। (সেরা ২১)

আসছে নতুন বছর। এই বছরকে সামনে রেখে প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্ব বাজারে।

প্রতিটি খাতের মতো করে প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন চলছে দারুন গতিতে। আর এই নতুন বছরকে সামনে রেখে প্রযুক্তি বাজারে আসছে বিশাল পরিবর্তন।

বিশেষ করে নিত্য ব্যাবহার করা স্মার্টফোনের কথাতো না বললেই নয়। ২০১৭ তে স্মার্টফোনের বাজারে রাজত্ব করেছে apple এর iphone, Samsung, google pixel, htc, OnePlus, Huawei এছাড়াও আরো নামী দামি ব্রান্ড।




ঠিক সেই সফলতা কাজে লাগিয়ে নতুন বছরে তাদের সুনাম এবং শীর্ষ স্থান ধরে রাখতে অনেক ব্রান্ড ই বাজারে আনতে যাচ্ছে অসাধারন সব স্মার্টফোন।

২০১৮ তে রাজত্ব করবে যেসব স্মার্টফোন
চলুন যেনে নেয়া যাক এবাবের ২০১৮ তে স্মার্টফোনের বাজারে রাজত্ব করবে কোন ফোনগুলি।

  • Apple iPhone X– Best Smartphone 2018
  • Samsung Galaxy S8 – Best Android Smartphone 2018
  • Google Pixel Phone
  • Apple iPhone 7 Plus – Best Apple Smartphone
  • Samsung Galaxy S7 – Best Android Smartphone
  • Apple iPhone 7
  • OnePlus 3T
  • Samsung Galaxy S7 Edge
  • HP Elite x3 – Best HP Smartphone
  • Samsung Galaxy Note 5
  • Apple iPhone SE– Best Budget Smartphone
  • Moto X Pure Edition Smartphone – Best Cheap Smartphone
  • Google Pixel 2
  • Huawei Mate 10
  • Huawei P11
  • LG G7
  • LG V30
  • Microsoft Surface Phone
  • Nokia 9
  • Samsung Galaxy S8 mini
  • Samsung Galaxy S9 & Galaxy S9+


নানান জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের তথ্যমতে উপরের উল্লেখ্যিত ফোনগুলো রাজত্ব করবে পুরো ২০১৮ জুড়ে।



ইতিমধ্যে অনেক স্মার্টফোনের ফিচার লিক হয়েছে আবার কিছু কম্পানি অফিসিয়ালি তাদের ফোনগুলির ফিচার ঘোষনা করেছে।

বিঃদ্রঃ উপরের লিস্ট টি শুধুমাত্র সাজানো এবং পড়ার সুবিধার জন্য,  রেঙ্ক বা সিরিয়াল হিসেবে নয়। 

বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭

আমিনা থেকে এভ্রিল, আড়ালে যত কীর্তি কুকীর্তি।

গরীব পরিবার। নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। পুরো পরিবারের ভরন পোষনে হিমশিম খায় পরিবারে একমাত্র কর্নধার কৃষক পিতা।

আর সেই গরীবের ঘরেই কোল আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যা শিশু।

মুসলিম পিতা ইসলামের আদর্শ মেনে মেয়ের নাম রাখেন "জান্নাতুল নাঈম আমিনা"।
কিন্তু পিতাকি জানতো কোনদিন বাবার এই সপ্ন ভেঙ্গে নগ্ন দেহের নাচ দেখাবে তার মেয়ে?
জ্বি আজ আমরা জানবো এমনই একজনের সম্বন্ধে নাম যার "জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল"।

জান্নাতুল নাঈম আমিনা ওরফে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল সর্বপ্রথম সবার সামনে আসে বাইক চালানো এবং সোশাল মিডিয়ায় তার ছবির মাধ্যমে।

নিজেকে দাবি করেন বাংলাদেশের সেরা লেডি বাইকার।
কিন্তু এই রং চকচকে DSLR ক্যামেরার সামনে আসার আগেরর অতীতগুলো বড়ই উশৃঙ্খল এবং একটি পররিবাবের জন্য বেদনাদায়ক।

চলুন তবে জানা যাক।
জান্নাতুল নাঈম আমিনা /এভ্রিলের অতীত বর্তমান 

এভ্রিলের প্রকৃত নাম জন্নাতুল নাঈম আমিনা
১৯৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আমেনার জন্ম চট্টগ্রামের চন্দনাইশের সেবন্দী গ্রামের একটি
দরিদ্র কৃষক পরিবারে। তার বাবার নাম তাহের মিয়া। বাবা সামান্য একজন কৃষক এবং এর পাশাপাশি একটি সেচ পাম্প চালিয়ে গোটা পরিবারের হাল ধরে আছেন।
এভ্রিলের দুই ভাই, দুই বোন।
পড়াশোনা করেছের চন্দনাইশ বড়মা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে।
SSC পরীক্ষার পর এলাকার কোন এক সম্ভ্রান্ত ব্যাবসায়ির চোখে ভালো লাগে আমিনা ওরফে এভ্রিলকে।
বিয়ের অনুষ্ঠানে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল/আমিন

নাম যার মনজুর উদ্দিন রানা।
আমিনাকে ভালো লাগার পর ব্যাপারটি তার পরিবারকে জানায় রানা। দুই পরিবারের সম্মতিতেই ২০১৩ সালের ১১ জুন বিয়ে হয় আমিনা এবং রানার।
বিয়ের আসরে বর রানার সাথে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ওরফে আমিনা

সংসার জীবন ভালোই কাটছিলো তাদের।

বিয়ের কয়েকমাস পর হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে যায় কথিত এই জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল।
অনেক খোজাখোজির পর জানা যায় প্রেমিকের হাত ধরে কক্সবাজার পাড়ি জমিয়েছেন এভ্রিল।

এরপর দুই পরিবার মিলেই চিটাগাং লালদীঘির পাড়ে ফৌজিয়া হোটেলে ডিভোর্স দেয়া হয় এভ্রিলকে। কাবিনের টাকা দিয়ে ততদিনে ভালোই চলছিলো এভ্রিল।

কিন্তু রং চকচকে মিডিয়ার জগৎতের টানে কক্সবাজার ছেড়ে ঢাকায় আসে এভ্রিল।

ততদিনে নিজের নাম পুরোপুরি বদলে আমিনা থেকে এভ্রিল হয়ে গেছে "জান্নাতুল নাঈম"।
আস্তে আস্তেই মিডিয়ার সাথে জড়ায় এভ্রিল।
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ২৫০০০ প্রতিযোগীদের মত নিজেও আবেদন করে এভ্রিল।
এরপরের কাহিনীতো আপনাদেরই জানা।

এভ্রিলের বাবার মতে তার আমিনা নামের একটি মেয়ে ছিলো যে আজ বেচে থেকেও তার কাছে মৃত।

এলাকায় রয়েছে এভ্রিলের নানান খেতাব। কেউবা প্রতারক কেউবা নানা বাজে খেতাবে ডাকে এভ্রিলকে।

কথিত আছে, কোন এক সময় নাকি চট্টগ্রামেরর কোন এক হোটেল রেড দেয়ার সময় ধরাও পড়েছিলেন এভ্রিল। তবে সেটার আদো কোন সাক্ষী নেই তাই আমিও জোর গলায় কিছু বলছি না।

শহরেরও এভ্রিলের চলাফেরা উশৃঙ্খল। ছেলেদের সাথে আপত্তিকর মেলামেশা ছাড়া নানান কথা আছে এভ্রিলের নামে।