বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭

আমিনা থেকে এভ্রিল, আড়ালে যত কীর্তি কুকীর্তি।

পোস্ট ক্যাটাগরি

গরীব পরিবার। নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। পুরো পরিবারের ভরন পোষনে হিমশিম খায় পরিবারে একমাত্র কর্নধার কৃষক পিতা।

আর সেই গরীবের ঘরেই কোল আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যা শিশু।

মুসলিম পিতা ইসলামের আদর্শ মেনে মেয়ের নাম রাখেন "জান্নাতুল নাঈম আমিনা"।
কিন্তু পিতাকি জানতো কোনদিন বাবার এই সপ্ন ভেঙ্গে নগ্ন দেহের নাচ দেখাবে তার মেয়ে?
জ্বি আজ আমরা জানবো এমনই একজনের সম্বন্ধে নাম যার "জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল"।

জান্নাতুল নাঈম আমিনা ওরফে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল সর্বপ্রথম সবার সামনে আসে বাইক চালানো এবং সোশাল মিডিয়ায় তার ছবির মাধ্যমে।

নিজেকে দাবি করেন বাংলাদেশের সেরা লেডি বাইকার।
কিন্তু এই রং চকচকে DSLR ক্যামেরার সামনে আসার আগেরর অতীতগুলো বড়ই উশৃঙ্খল এবং একটি পররিবাবের জন্য বেদনাদায়ক।

চলুন তবে জানা যাক।
জান্নাতুল নাঈম আমিনা /এভ্রিলের অতীত বর্তমান 

এভ্রিলের প্রকৃত নাম জন্নাতুল নাঈম আমিনা
১৯৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আমেনার জন্ম চট্টগ্রামের চন্দনাইশের সেবন্দী গ্রামের একটি
দরিদ্র কৃষক পরিবারে। তার বাবার নাম তাহের মিয়া। বাবা সামান্য একজন কৃষক এবং এর পাশাপাশি একটি সেচ পাম্প চালিয়ে গোটা পরিবারের হাল ধরে আছেন।
এভ্রিলের দুই ভাই, দুই বোন।
পড়াশোনা করেছের চন্দনাইশ বড়মা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে।
SSC পরীক্ষার পর এলাকার কোন এক সম্ভ্রান্ত ব্যাবসায়ির চোখে ভালো লাগে আমিনা ওরফে এভ্রিলকে।
বিয়ের অনুষ্ঠানে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল/আমিন

নাম যার মনজুর উদ্দিন রানা।
আমিনাকে ভালো লাগার পর ব্যাপারটি তার পরিবারকে জানায় রানা। দুই পরিবারের সম্মতিতেই ২০১৩ সালের ১১ জুন বিয়ে হয় আমিনা এবং রানার।
বিয়ের আসরে বর রানার সাথে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ওরফে আমিনা

সংসার জীবন ভালোই কাটছিলো তাদের।

বিয়ের কয়েকমাস পর হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে যায় কথিত এই জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল।
অনেক খোজাখোজির পর জানা যায় প্রেমিকের হাত ধরে কক্সবাজার পাড়ি জমিয়েছেন এভ্রিল।

এরপর দুই পরিবার মিলেই চিটাগাং লালদীঘির পাড়ে ফৌজিয়া হোটেলে ডিভোর্স দেয়া হয় এভ্রিলকে। কাবিনের টাকা দিয়ে ততদিনে ভালোই চলছিলো এভ্রিল।

কিন্তু রং চকচকে মিডিয়ার জগৎতের টানে কক্সবাজার ছেড়ে ঢাকায় আসে এভ্রিল।

ততদিনে নিজের নাম পুরোপুরি বদলে আমিনা থেকে এভ্রিল হয়ে গেছে "জান্নাতুল নাঈম"।
আস্তে আস্তেই মিডিয়ার সাথে জড়ায় এভ্রিল।
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ২৫০০০ প্রতিযোগীদের মত নিজেও আবেদন করে এভ্রিল।
এরপরের কাহিনীতো আপনাদেরই জানা।

এভ্রিলের বাবার মতে তার আমিনা নামের একটি মেয়ে ছিলো যে আজ বেচে থেকেও তার কাছে মৃত।

এলাকায় রয়েছে এভ্রিলের নানান খেতাব। কেউবা প্রতারক কেউবা নানা বাজে খেতাবে ডাকে এভ্রিলকে।

কথিত আছে, কোন এক সময় নাকি চট্টগ্রামেরর কোন এক হোটেল রেড দেয়ার সময় ধরাও পড়েছিলেন এভ্রিল। তবে সেটার আদো কোন সাক্ষী নেই তাই আমিও জোর গলায় কিছু বলছি না।

শহরেরও এভ্রিলের চলাফেরা উশৃঙ্খল। ছেলেদের সাথে আপত্তিকর মেলামেশা ছাড়া নানান কথা আছে এভ্রিলের নামে।


পোস্টটি ভালো লাগলে অথবা পোস্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে দয়াকরে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার একটি সুন্দর মতামত লেখককে আরো সুন্দর পোস্ট লেখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ধন্যবাদ।
ইমুজিইমুজি