শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ফেসবুকে চালু হলো ওয়ান টাইম/ টেম্পরারি পাসোয়ার্ড সুবিধা!

প্রতিনিয়ত ফেসবুক আনছে নতুন নতুন পরিবর্তন, পরিবর্ধন।
ঠিক এবার ব্যাবহারকারীদে নিরাপত্তার ব্যাপারে চিন্তা করে ফেসবুক এনেছে আরো দারুন একটি পরিবর্তন।
আর এবার ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরো বাড়ানোর জন্য ‘ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড’ সুবিধা চালু করেছে।
ফেসবুক টেম্পরারি /ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড 
এই ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড সিস্টেমের মাধ্যমে যেকোন ফেসবুক ব্যাবহারকারী চাইলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি টেম্পরারি পাসোয়ার্স পেতে পারে যেটা আবার নির্দিষ্ট সময় পর কাজ করবে না। এতা কে যদি কেউ আপনার পাসোয়ার্ডটি জেনেও যায় তবুও সে আপনার আইডিতে লগইন বা এ ধরনের কিছু করতে পারবে না। 

এ ব্যাপারে ফেইসবুক জানিয়েছে, ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই অন্যের কম্পিউটার ব্যবহার করে ফেইসবুকে লগ-ইন করেন। অনেক কম্পিউটারেই বিভিন্ন ধরনের ‘কি লগার’ সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে, যেগুলো ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করে রাখে। অনেক সময় ব্রাউজারও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে। ফলে পরবর্তী সময়ে অন্য ব্যবহারকারী এসব পাসওয়ার্ড দেখার সুযোগ পায়। এ ঝুঁকি থেকে ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে ‘ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড’ ফিচার চালু করা হয়েছে।
ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড কেবল ২০ মিনিটের জন্য কার্যকর থাকবে। ফলে অন্য কেউ পরবর্তী সময়ে এই পাসওয়ার্ড পেয়ে গেলেও ফেইসবুকে লগ-ইন করতে পারবে না। 

কি ভাবে পাবেন ওয়ান টাইম পাসোয়ার্ড?

 ব্যবহারকারীরা নিজের ফেইসবুক একাউন্টের সাথে যুক্ত ফোন নম্বর থেকে G OTP লিখে ৩২৬৬৫ নাম্বারে মেসেজ পাঠালে পাঠালেই ফিরতি এসএমএসে একটি টেমপোরারি পাসওয়ার্ড পাবেন। এবং এতে কোন টাকা কাটবে না। এ পাসওয়ার্ডটি দিয়ে যেকোনো কম্পিউটার থেকেই নিশ্চিন্তে লগ-ইন করতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের এ টেমপোরারি পাসওয়ার্ড ২০ মিনিটের জন্য কার্যকর থাকবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র বাংলালিংক ব্যবহারকারীরাই এই সুবিধাটি পাচ্ছেন।

তবে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এটি প্রায় সকল সিমেই চালু করা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

নিয়মিত আপডেট পেতে আরো জানি ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন । 

2 comments

খুব ভালো পোস্ট করেছেন ভাই।
জেনে উপকৃিত হলাম।

পোস্টটি ভালো লাগলে অথবা পোস্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে দয়াকরে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার একটি সুন্দর মতামত লেখককে আরো সুন্দর পোস্ট লেখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ধন্যবাদ।
ইমুজিইমুজি