Monday, September 25, 2017

'সাকসেস কিড' এর গল্প।

পোস্ট ক্যাটাগরি
Electronic currency exchange rates list

Success kid এর গল্প : আরো জানি

উপরের ছবির ছেলেটিকে আপনি নিশ্চই চিনেন?
যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যাবহার করে এবং ইন্টারনেটে যাদের চলাচল তারা একে চিনে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুষ্কর।

কিন্তু ছবিটি দেখতে যতটুক মজাদার এর পেছনের গল্প এতটা মজাদার না।

এই ছবির পেছনে লুকিয়ে আছে একজন বাবার মৃত্যুর হাত থেকে বাচার গল্প।

তো বকবক না করে গল্পটাই নাহয় বলি।

ছবিতে যে ছেলেটিকে দেখছেন তার নাম "স্যামি"। ছবিটিতে "স্যামি" মোটেই হাত মুঠো করে তার সফল্যকে সেলিব্রেট করছে না।
 ছবিটি যখন তোলা হয়, তখন তার ১১ মাস বয়স। মায়ের সঙ্গে সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গিয়েছিল সে। সমুদ্রতীরে পা রেখেই একমুঠো বালি তুলে নেয় স্যাম। তার পরে সেই মুঠো-ভর্তি বালি মুখে পুরতে উদ্যত হয়।
ঠিক সেই সময় তাকে ক্যামেরা-বন্দি করে তার মাল্যানি রবার্টসন গ্রিনার

হাতে এবং মুখে বালি 
তার পরে সেই ছবি flicker এ পোস্ট হলে তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে যায় ইন্টারনেটে। যদি এখনো আপনি ছবিটি Joom করেন তবে এখনো স্যামির হাতে-মুখে বালি দেখতে পাবেনন।

 স্যামির বাবার নাম "জাস্টিন গ্রিনার"।
বাবার সাথে সাকসেস কিড স্যামি 

যিনি তখন কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন আর তার কিডনি প্রতিস্থাপন করার জন্য প্রয়োজন ছিলো অনেক টাকা, যেটা স্যামির পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব ছিলো না।

তাই স্যামির মা ল্যানি রবার্টসন গ্রিনার 'গো ফাউন্ড মি' নামের একটি পেজ তৈরি করে যার মধ্যে তিনি স্যামির সেই ছবিটি প্রকাশ করেন এবং তার বাবার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন।
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন তার ডাকে।
মায়ের সাথে সাকসেস কিড স্যামি

তিনি ঐ ছবি এবং পেজের মাধ্যমে প্রায় ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তা পান, যার সাহায্যে স্যামির বাবার কিডনি প্রতিস্থাপন হয়।

আর সেই থেকেই স্যামি পরিচিতি পায় "সাকসেস কিড" ( Success Kid)  নামে।