Thursday, December 27, 2018

ফেসবুকে মনিটাইজেশন এর নিয়মাবলী। (ফেসবুক এড ব্রেকস)

ক্যাটাগরি
ইউটিউবের মত করে যাতে ফেসবুক ব্যাবহারকারীরা ফেসবুকে ভিডিও দিয়ে আয় করতে পারে সে কারনে ফেসবুক কতৃপক্ষ ফেসবুক এড ব্রেকস বা ফেসবুক মনিটাইজেশন ব্যাবস্থা চালু করছে।
শুরুতে এটি বাংলাদেশে এবং বাংলা ভাষায় চালু না থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে এবং বাংলা ভাষায় ফেসবুক মনিটাইজ চালুর অনুমোদন দিয়েছে ফেসবুক।
ব্যাবহারকারী সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধির সাথে সাথে আয় বৃদ্ধি এবং সেইসাথে পাবলিশারদের আয়ের উৎস তৈরি করার জন্য ফেসবুক এ ফিচারটি চালু করেছে।
ফেসবুক মনিটাইজেশন করে টাকা আয়
শুরুতেই বলে নিই ফেসবুক মনিটাইজেশন চালু করতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম মানতে হবে এবং সেইসাথে আপনার ফেসবুক পেজটি ফেসবুক মনিটাইজের উপযুক্ত হতে হবে।
আরো পড়ুন:


ফেসবুক মনিটাইজেশনের শর্তাবলী/নিয়মাবলী:

  • আপনার ফেসবুক পেজে ১০ হাজারের বেশী ফেসবুক ফলোয়ার  থাকতে হবে।
  • ভিডিওতে মনিটাইজ চালু করতে হলে মনিটাইজ আবেদনের পূর্বের ২ মাসে ভিডিওটিতে সর্বনিম্ন ১ মিনিট করে ভিউ করা এমন ৩০ হাজার ভিউজ থাকতে হবে।
  • ভিডিওটি সর্বনিম্ন ৩ মিনিটের হতে হবে।


শার্তাবলীর ব্যাখ্যা:

  • ১ নং শর্ত অনুযায়ী আপনি যে ফেসবুক পেজটি দিয়ে মনিটাইজেশন চালু করবেন সেই পেজটির লাইক/ফ্যান/ফলোয়ার ১০ হাজারের বেশী থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনার পেজে ১০ হাজারের বেশী ফলোয়ার থাকলে আপনি ফেসবুক মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • ২ নং শর্ত অনুযায়ী অাপনার ভিডিওটি মনিটাইজ আবেদনের আগের ২ মাসের মধ্যে মোট ৩০ হাজার ভিউ থাকতে হবে এবং এই ৩০ হাজার মানুষ আপনার ভিডিওটিকে সর্বনিম্ন ১ মিনিট করে দেখতে হবে।
  • ৩ নং শর্ত অনুযায়ী আপনার পোস্ট করা ভিডিওটি সর্বনিম্ন ৩ মিনিট হতে হবে।

এখন কথা হচ্ছে উপরের এ সবকটি নিয়ম ছাড়াও আপনাকে কিছু নিয়ম মনে রাখতে হবে। যেমন, আপনার প্রকাশিত ভিডিওগুলি স্লাইড ভিডিও হতে পারবে না। আপনার প্রকাশিত ভিডিওটি কোন স্থির ভিডিও হতে পারবে না।
স্থির ভিডিও বলতে, ধরুন একটি ছবি দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে অডিও চলছে, এমন ভিডিও হলে সেটা মনিটাইজ পাবেনা।

এধরনের আরো কিছু নিয়ম ফেসবুক জানিয়ে দিয়েছে এবং ফেসবুক সোজাসুজি বলে দিয়েছে এসকল নিয়ম না মানলে ফেসবুক পেজটি মনিটাইজ পাবেনা।
আরো পড়ুন:


কিভাবে ফেসবুক মনিটাইজেশন চালু করবেন?

আপনার পেজের Publishing Tools অপশন থেকে চলে যান ক্রিয়েটর স্টুডিওতে। সেখানে পেয়ে যাবেন Check Eligibility তে গিয়ে জেনে নিন আপনার পেজ মনিটাইজশেনর জন্য উপযুক্ত কিনা।

কিভাবে টাকা পাবেন?

আপনি চাইলে ব্যাংক বা পেপালের মাধ্যমে আপনার আয় করা অর্থ নিতে পারবেন। এরজন্য আপনাকে সর্বনিম্ন ১০০$ আয় করতে হবে।

#ফেসবুক এড ব্রেকস্
#ফেসবুক মনিটাইজেশন

তথ্যসূত্র :
https://www.prothomalo.com/technology/article/1564252/

https://www.samakal.com/tp-techline/article/18112523/

Wednesday, December 26, 2018

ফেসবুক আইডির নাম বদলান ৬০ দিনের আগে।

ক্যাটাগরি
ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন অথচ ফেসবুক আইডি নাই এমন মানুষের দেখা পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু সমস্যা হয় ফেসবুক আইডির নাম বদলানো নিয়ে, বিশেষকরে সেটা বড়ো সমস্যা হয়ে দাড়ায় ৬০ দিনের আগে ফেসবুক আইডির নাম বদলাতে গেলে।
facebook-account
ফেসবুক আইডির নাম বদলান
যাইহোক কথায় আছে সমস্যা সেখানে শুরু সমাধানও ঠিক সেখানেই আছে শুধু খুজে নিতে হয়। তাই এটা ভেবেই নেয়া যায় ফেসবুক আইডির নাম বদলানো যেমন সমস্যা তেমনি সেটারো একটি সুন্দর সমাধান আছে এবং এ পোস্টে আমরা সেটাই দেখাবো।

কিভাবে ফেসবুক আইডির নাম বদলাবেন?

দিনদিন ফেসবুকের ব্যাবহারকারী বাড়ছে সেই সাথে বাড়ছে প্রশ্নও। আর এই "কিভাবে ফেসবুক আইডির নাম বদলাবো?" প্রশ্নের উত্তর ফেসবুক তাদের হেল্প পেজে উত্তর দিয়ে দিছেছে।

এরজন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন।
  • Settings এ যান।
  • Personal Information এ যান।
  • Name এ যান।
  • এবার সেখানে দেয়া ফর্মটি পূরন করে Review Change এ ক্লিক করুন

কিন্তু অনেকে এভাবে চেন্জ করতে পারছেননা এইতো?
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন চেন্জ করতে পারছেননা?

এ ব্যাপারে ফেসবুক তাদের উত্তর দিয়ে দিয়েছে এবং জনপ্রিয় ফোরাম সাইট Quora তেও এ ব্যাপারে অনেক উত্তর আছে।

ফেসবুক বলছে আপনি আপনার ফেসবুক আইডির নাম বদলাতে পারবেননা কয়েকটি কারনে।
  • যদি আপনার নাম ফেসবুকের Name police না মানে। 
  • যদি আপনি গত ৬০ দিনের মধ্যে নাম চেন্জ করে থাকেন। 
  • যদি আপনি এর আগেই ফেসবুক কতৃক আপনার নাম কনফার্ম করে থাকেন। 
  • অথবা যদি আপনার নামের সাথে আপনার প্রদত্ত আইডির নাম না মিলে।
এখন কথা হচ্ছে কিভাবে আপনি ৬০ দিনের আগে ফেসবুক আইডির নাম বদলাবেন? এতো সব নিয়মের তোয়াক্কা না করে।

আরো পড়ুন:



ফেসবুক আইডির নাম বদলান ৬০ দিনের আগে! 

এরজন্য আপনার লাগবে পরিচয় পত্র সেটা হতেপারে আপনার স্কুল আইডি কার্ড, ভোটার আইডি, NID, পসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ফেসবুক কি কি আইডি এক্সসেপ্ট করবে তার একটি লিস্ট নিতে দিলাম।
  • Birth certificate
  • Driver's license
  • Passport
  • Marriage certificate
  • Official name change paperwork
  • Personal or vehicle insurance card
  • Non-driver's government ID (ex: disability, SNAP card, national ID card, pension card)
  • Green card, residence permit or immigration papers
  • Tribal identification or status card
  • Voter ID card
  • Family certificate
  • Visa
  • National age card
  • Immigration registration card
  • Tax identification card
  • Bank statement
  • Transit card
  • Check
  • Credit card
  • Employment verification
  • Library card
  • Mail
  • Magazine subscription stub
  • Medical record
  • Membership ID (ex: pension card, union membership, work ID, professional ID)
  • Paycheck stub
  • Permit
  • School ID card
  • School record
  • Social Security card
  • Utility bill
  • Yearbook photo (actual scan or photograph of the page in your yearbook)
  • Company loyalty card
  • Contract
  • Family registry
  • Diploma
  • Religious documents
  • Certificate of registration for accreditation or professional
  • Professional license card
  • Polling card
  • Health insurance
  • Address proof card
  • Social welfare card
এবার এখানে ক্লিক করুন এবং দেখবেন একটা ফর্ম ওপেন হইছে।

এবার ফর্মটা পূরন করুন। First name এর জায়গায় আপনার নামের প্রথম অংশ লাস্ট নেমে দ্বিতীয় অংশ দিন।
Facebook-name-change

Pick One এ ক্লিক করে আপনার নাম চেন্জ করার কারন সিলেক্ট করুন। এবং Choose file এ ক্লিক করে আপনার আইডি আপলোড করুন এবং Send বাটনে ক্লিক করুন।
facebook-name-change

সব ঠিক থাকলে ফেসবুক তা রিভিও করে আপনাকে পরে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে আপনার নামটা পরিবর্তন করা হয়েছি কি না।

এক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা : 
  • আপনার NID, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা যেকোন আইডি মোবাইল বা ভালো ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলুন।
  • NID, DRIVING, SCHOOL ID হলে সেটা মুখের সামনে এনে অথবা হাতে রেখে ছবি তুলুন।
  • টোটালি এমন ভাবে আইডির ছবি পাঠাবেন যাতে দেখে মনে না হয় এটা এডিট করা।

সবকিছু ঠিকভাবে করতো পারলে ৬০ দিনের আগেই ফেসবুক আইডির নাম বদলাতে পারবেন। এরপরও কোন সমস্যা থাকলে নিচের ভিডিওটি দেখুন। 

কারো কোন সমস্যা হলে ফেসবুকে আমাকে মেসেজ দিবেন যথাসাধ্য সাহায্য করার চেস্টা করবো।
ফেসবুকে আমাকে পেতে এখানে ক্লিক করুন।
সবশেষে সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

তথ্যসূত্র :
  • https://facebook.com/help/173909489329079
  • https://facebook.com/help/448505685205813
  • https://mobile.facebook.com/help/112146705538576
  • https://facebook.com/help/contact/1417759018475333
  • https://www.quora.com/Why-do-you-have-to-wait-60-days-to-change-name-on-Facebook
  • https://www.wikihow.com/Change-Your-Name-on-Facebook
  • https://youtu.be/r3QDeB4UWe0

কিভাবে Gmail একাউন্ট খুলবেন?

ক্যাটাগরি
দিন যত যাচ্ছে পৃথিবীর তত উন্নত হচ্ছে।
আগে যেখানে আদিম মানুষ কাচা মাংস খেতো সেখানে মানুষের বর্তমান অবস্থান কল্পনার মত। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সব যেমনি পরিবর্তীতত হচ্ছে তেমনি ঘটছে প্রযুক্তির আকাশছোয়া পরিবর্তন। আগে যেখানে মানুষ দূরে কারো সাথে কথা বলার জন্য পায়রা দিয়ে চিঠি আদানপ্রদান করতো সেই দিন এখন আর নেই। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এসেছিলো ডাক বিভাগের চিঠি আদানপ্রদান, তারপর এসেছিলো টেলিফোন আর এখন অত্যাধুনিক স্মার্টফোন।
ঠিক তেমনি সময়ের সাথে একজন মানুষের তথ্য আরেকজনের কাছে পৌছে দিতে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে E mail বা ইলেক্ট্রনিক মেইল।

E mail হচ্ছে একটা ব্যাবস্থা মাত্র আর যারা এসব মেইলের সেবা দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Google এর  GmailYahoo এর Yahoo mail, mail ইত্যাদি ইত্যাদি।

তো আজকের পোস্টে আপনাদের দেখাবো কিভাবে একটা Gmail account বা gmail id খুলবেন।

আরো পড়ুন:


মেইল কি কাজে লাগে সেটাতো মোটামুটি সবাই জানেন।
বর্তমানে চাকরির C.V জমা দিতে, অফিসের যেকোন কাজে, পড়ালেখার কাজে অর্থাৎ সব ক্ষেত্রেই একটি মেইলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
তাই আজকে দেখাবো কিভাবে একটি পূর্নাঙ্গ Gmail একাউন্ট খুলবেন।

কিভাবে Gmail আইডি খুলবেন?

প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের যেকোন ব্রাউজার দিয়ে Gmail.com এ যান।
এরপর নিচ থেকে Create an Account এ ক্লিক করুন।



এবার দেখুন উপরের মত একটা লম্বা ফর্ম আপনাকে ঝুলিয়ে দিছে। ভয় পাবার কিছু নেই এটাই আপনার gmail আইডি খোলার ফর্ম, তাই মন দিয়ে সবকিছু পূরন করুন।


#কিভাবে পূরন করবেন? 

Name: Name এর ঘরে যে দুইটা অংশ সেখানে প্রথম ঘরে আপনার নামের প্রথম অংশ এবং দ্বিতীয় ঘরে দ্বিতীয় অংশ দিন।
যেমন, আমার নাম Sadif Rayhan সেহেতু প্রথম ঘরে দিবো সাদিফ এবং দ্বিতীয় ঘরে Rayhan.

Username: এটা হচ্ছে মেইন জায়গা। আমরা যখন কারো মেইল দেখি, যেমন Sadif2210@gmail.com বা Sadif@gmail.com এটাও ঠিক সেই অংশটা। অর্থাৎ এখানে আপনি আপনার মেইলটা দিবেন। মনে রাখবেন আপনার মেইলটা হয়তো আগেও কেউ নিয়ে রাখতে পারে তাই চেষ্টা করবেন সাথে অন্য কিছু  এড করে দিতে। যেমন internetarmybd@gmail.com আমরা নিয়ে রেখেছি আপনি আর এটা নিতে পারবেননা তাই আপনাকে সাথে অানকমন কিছু নাম্বার অথবা word add করে দিতে হবে, যেমন internetarmybd2018@gmail.com.

Create a password: এখানে আপনার পাসোয়ার্ড দিন। পাসোয়ার্ডটি যেতো অবশ্যই সংখ্যা নাম্বার এবং চিহ্নযুক্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। যেমন : My.p@$$w0rd

Confirm your password: এখানে আপনার পাসোয়ার্ডটি পুনঃরায় লিখুন।

Birthday: এখানে আপনার জন্মতারিখ দিন।

Gender: এখানে আপনি ছেলে হলে male দিন মেয়ে হলে female দিন।

mobile phone: এখানে আপনি কোন দেশের নাম্বারটি যোগ করবেন সেটি সিলেক্ট করুন। যেমন আমরা যেহেতু বাঙ্গালী সেহেতু আমরা বাংলাদেশী নাম্বার এড করবো তাই আমরা Bangladesh selecte করলাম।
এবং নিচের খালি ঘরে আপনার মোবাইল নাম্বার দিন। মনে রাখবেন এখানে যে নাম্বারটি দিবেন এটা খুবি দরকারি। পরবর্তীতে আপনার gmail আইডিতে কোন সমস্যা হলে এ নাম্বারটি লাগবে।

Your current email address: এখানে আপনার পরিচিত বা বিশ্বস্ত কারো মেইল দিন। পরে আপনার আইডিতে কোন সমস্যা হলে এই মেইল এবং ফোন নাম্বার দুটোই লাগবে।

Location: এখানে আপনি যে দেশে বাস করেন সেটা সিলেক্ট করুন।

সবশেষে Continue বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনাকে লম্বা নোটিশ ঝুলিয়ে দিবে যেখানে gmail এর terms দেয়া থাকবে এবার চোখ বুঝে I Agree বাটনে ক্লিক করুন।



এবার আপনাকে আপনার ফোন নাম্বার ভেরিফাই করতে হবে। নিচের ছবির মত text message (SMS) ক্লিক করুন এবং দেখুন ঐ নাম্বারে একটা কোড গেছে

এবার সেটা Verification box এ লিখে continue  বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যাস আপনার gmail account খোলা শেষ। এবং সেটা ১০০% ভেরিফাইড।

কিভাবে gmail আইডিতে লগইন করবেন?

প্রথমে যেকোন ব্রাউজার থেকে gmail.com এ যান বা গুগল প্লে স্টোর থেকে gmail app টা install করুন।

এবার email or phone number এর ঘরে আপনার gmail টি লিখুন (যেমন : InternetArmyBD@gmail.com)  এবং next বাটনে ক্লিক করুন। এবার পাসোয়ার্ডের ঘরে আপনার পাসোয়ার্ড দিয়ে log in করুন।

কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন?

ক্যাটাগরি
কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন? এটা জানার আগে আসুন Instagram সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিই।
কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন? সৌজন্যে internetarmybd
কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন? 
সোশাল মাধ্যম হিসেবে আমরা Facebook, Twitter এই দুটাকেই বেশী চিনি। সত্যি বলেতে এখনো অনেকে আছে যারা Instagram নামটি পর্যন্ত শুনেননি! Instagram হচ্ছে একটা ছবি এবং ভিডিও শেয়ারিং সোশাল সাইট। ওখানে মূলত পোস্টের চেয়ে সবাই ছবি এবং ভিডিওটা শেয়ার হয়। Instagram সর্বোপ্রথম ২০১০ সালে সালে প্রতিষ্ঠিত  হয়, যার প্রতিষ্ঠাতারা হলেন Kevin Systrom এবং Mike Krieger। এবং বর্তমানে Instagram হচ্ছে Facebook পরিচালিত।

বিস্তারিতো: https://en.m.wikipedia.org/wiki/Instagram

এই গেলো Instagram সম্পর্কে সল্প পরিসরে জানা। এবার আসি কিভাবে Instagram  একাউন্ট খুলবেন?

আপনি চাইলে গুগল থেকে Instagram এপটি ডাউনলোড বরতে পারেন অথবা ব্রাউজার দিয়েও কাজটি করতে পারেন।
এ পোস্টে আমরা ব্রাউজার দিয়ে Instagram একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া দেখাচ্ছি।

কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন?


আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক আইডি দিয়েও Instagram আইডি খুলতে পারেন, তবে আমি বলবো ওটা করবেননা, কারন কখনো ফেসবুক আইডি নস্ট হলে হয়তো আপনার Instagram আইডিও নস্ট হতে পারে।

প্রথমে যেকোন একটি ব্রাউজার দিয়ে Instagram.com এ যান।
কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন? সৌজন্যে internetarmybd

  • এবার নিচথেকে Mobile number or email এর ঘরে আপনার মোবাইল নাম্বার অথবা ইমেইল দিন।
  • Full name এর ঘরে আপনার পুরো নাম দিন।
  • username এর ঘরে আপনার username দিন, মনে রাখবেন username এ কোন স্পেস থাকতে পারবে না। যদি কোন কারনে username available না থাকে তবে সেটা চেন্জ করে অন্য একটা দিন অথবা সাথে সংখ্যা দিন এতে username available থাকার সম্ভাবনা থাকে। (যেমন : SadifRayhan1213)  
  • password এর ঘরে আপনার পাসোয়ার্ড দিন।
  • সব ঠিকভাবে দিয়ে Sing up বাটনে ক্লিক করুন।
  • এবার আপনার ফোনে বা ইমেইলে একটা কোড যাবে সেটা বসিয়ে আপনার একাউন্টটা ভেরিফাই করে নিন।


ব্যাস আপনার Instagram একাউন্ট খোলা শেষ।
এখন কথা হচ্ছে Instagram account তো খুললেন এবার সেটা পরবর্তিতে কিভাবে লগইন করবেন?

আরো পড়ুন:


কিভাবে Instagram একাউন্টে লগইন করবেন?

প্রথমে Instagram.com এ গিয়ে নিচথেকে login বাটনে ক্লিক করুন।
কিভাবে Instagram একাউন্ট খুলবেন? সৌজন্যে internetarmybd
তারপর আপনার ফোন নাম্বার /ইমেইল দিয়ে লগইন করুন। আশাকরি এ স্টেপগুলো সবাই পারবেন।

এতক্ষন কস্ট করে পোস্টটি পড়ান জন্য ধন্যবাদ।
অনলাইন অথবা ইন্টারনেট জগৎতের যেকোন সাহায্যের জন্য চাইলে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন।
InternetArmyBD এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

কিভাবে টুইটার প্রোফাইল খুলবেন?

ক্যাটাগরি
বর্তমানে ইন্টারনেটের ছোয়ায় মানুষ অনলাইনমুখী হয়ে উঠেছে এবং দিন যত যাচ্ছে এর পরিমান ঝড়ের গতিতে বাড়ছে।

বর্তমানে মানুষ নিজের অবসর সময়কে কাটানোর জন্য বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি।
যদিও ফেসবুক খুব অল্প সময়ে বাংলাদেশে ভাইরাল হতে পেরেছে কিন্তু টুইটার তার থেকে সামান্য পিছিয়ে। যার কারনে টুইটার সম্পর্কে অনেকের অজানা।
তো চলুন পোস্ট শুরুর আগে টুইটার সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নিয়ে নেই।

কিভাবে Twitter account খুলবেন?  by internetarmybd
কিভাবে Twitter account খুলবেন? 


#টুইটার কি?

Wikipedia এর তথ্যমতে Twitter এর যাত্রা শুরু ২০০৬ সালের মার্চ। তবে ২০০৬ এর জুলাই মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন হয়। টুইটার হচ্ছে ফেসবুকের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

#কিভাবে Twitter Account খুলবেন?

Twitter account খুলতে আপনার একটি ফোন নাম্বার এবং ই-মেইল প্রয়োজন। আপনি চাইলে টুইটারের এপ দিয়ে অথবা ব্রাউজার দিয়ে আইডি খুলতে পারেন।
যাইহোক আজকে আমরা ব্রাউজার দিয়ে আইডি খোলা দেখাচ্ছি।

প্রথমে আপনার ফোনের যেকোন একটি ব্রাউজার (UC, Chrome etc.) দিয়ে Twitter.com প্রবেশ করুন।
এবার Sign up বাটনে ক্লিক করুন।
Twitter Sign Up
এবার আপনি যদি চান মেইল ব্যাবহার করবেন তবে নিচ থেকে use email instant বাটনে ক্লিক করুন।
এবার উপরের ঘরে আপনার কাঙ্খীত নাম দিন। এবং দ্বিতীয় ঘরে আপনার mail দিন এবং sign up বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনার ফোন নাম্বার দিন এবং Call me বাটনে ক্লিক করুন।
Twitter Call me
কিছুক্ষণ পর আপনার সেই নাম্বারে টুইটার থেকে একটি ফোন কল আসবে। সেখানে আপনাকে একটি কোড বলবে সেই কোডটি Your Code এর বক্সে লিখে Submit বাটনে ক্লিক করুন।
Twitter code verification
এভাবে পরবর্তী ধাপগুলো ঠিকভাবে পূরন করুন এবং দেখুন আপনার মেইলে একটি কনফার্ম লিংক গেছে সেটিতে ক্লিক করুন এবং আপনার মেইলটা ভেরিফাই করুন।
ব্যাস আপনার টুইটার একাউন্ট খোলা হয়ে গেলো। এবার আইনি আপনার প্রোফাইলটিকে profile picture, cover photo অন্যান্য সব তথ্য দিয়ে সাজিয়ে নিন।

আরো পড়ুন: কিভাবে Single নামের ফেসবুক আইডি খুলবেন?

এখন কথা হচ্ছে টুইটার একাউন্ট খুললেন কিন্তু পরবর্তীতে সেটাতে লগইন করবেন কিভাবে?

#কিভাবে Twitter ID তে Log In করবেন?

প্রথমে Twitter.com এ যান এবং log in বাটনে ক্লিক করুন।
এবার উপরের (1) ঘরে আপনি যে মেইল/ফোন নাম্বার দিয়ে টুইটার আইডি খুলেছেন সেটা দিন। এবং নিচের ঘরে আপনার পাসোয়ার্ড দিন এবং log in বাটনে ক্লিক করুন।
Twitter Log in
এবার আপনি আপনার টুইটার একাউন্ট ব্যাবহার করুন নিজের মত।
তবে মনে রাখবেন টুইটারে ফ্রেন্ড তৈরি হয়না টুইটারে আপনি কাউকে friend request দিতে পারবেননা এবং friend তৈরি করতে পারবেননা, টুইটারে আপনি শুধুমাত্র follow করতে পারবেন এবং অন্যরাও আপনাকে ফলো করতে পারবে।

আরো পড়ুন:



ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বানানের ত্রুটির জন্য দুঃখিত।

কিভাবে ফেসবুকে সিঙ্গেল নামের আইডি খুলবেন?

ক্যাটাগরি
ফেসবুক মোটামুটি এখন সবাই ব্যাবহার করে এবং সবারি প্রায় একাধিক আছে।
অনেকেই হয়তো ফেসবুকে সিঙ্গেল নামের আইডি দেখেছেন আবার যারা নিতান্তই সাধারন ব্যাবহারকারী তাদের ক্ষেত্রে বিপরীত হওয়া অস্বাভাবিকের ব্যাপার নয়। ☺

কিভাবে ফেসবুকে সিঙ্গেল / এক নামের আইডি খুলবেন? by internetarmybd
Single নামের ফেসবুক আইডি


যাইহোক যারা বুঝেননাই সিঙ্গেল নামের আইডি কি তাদের বলছি

facebook single name account : ফেসবুকে আইডি খুলতে গেলে আপনাকে নিশ্চই কমপক্ষে নামের প্রথম এবং দ্বিতীয় অংশ দিতে হবে।  (Example: প্রথম অংশ Sadif এবং দ্বিতীয় অংশ Rayhan)

আর Single name account হচ্ছে শুধুমাত্র একটি অংশ ব্যাবহার করে আইডি খোলা। (Example: Sadif)

নতুনরা হয়তো চিন্তা করছেন এ আর এমন কি ব্যাপার!😂
কিন্তু না, ফেসবুকে আপনি চাইলেও একটা নামে সব দেশ থেকে Account বা আইডি খুলতে পারবেন না।

তাহলে কিভাবে খুলবেন Single name এর আইডি? চলুন জেনে নেয়া যাক।

How To Create Facebook Account/ID With Single Name?



ফেসবুকে single নামের আইডি খুলতে গেলে আপনাকে অবশ্যই Indonesia এর বাসিন্দা হতে হবে! 😐

ব্যাপারটা শুনে নিশ্চই মনে প্রশ্ন জেগেছে, কেন আমাকে Indonesia এর নাগরিক হতে হবে? কারন হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের নামগুলো অনেক বড় বড় হয়।
আমাদের বা অন্যান্য দেশের নাগরিকদের নামগুলো যেখানে 10-20 word +- এর সেখানে Indonesia এর নাগরিকদের নামের words অনেক।  কিন্তু ফেসবুকে এত বড় নাম কেমন একটা দেখাবে!
আর ঠিক তাই ফেসবুক Indonesia এর বাসিন্দাদের জন্য শুধুমাত্র তাদের নামের যেকোন একটা শব্দ ব্যাবহার করে Account খোলার সুজোগ দিচ্ছে। আর আমরা অন্যান্য দেশে থেকে Vpn ব্যাবহার করে Indonesian বাসিন্দা সেজে সেই সুবিধাটা লুপে নিবো। 😜

সিঙ্গেল নামের আইডি খুলতে আপনার যা যা লাগবে:

একটা Vpn (যেমন: Hola vpn, One click vpn etc) এবং একটি Live browser (যেমন: UC browser, Chrome browser etc)

যারা জানেননা Vpn কি তারা VPN কি এবং কিভাবে কাজ করে পোস্টটি পড়ে আসুন।

কার্যপদ্ধতি : প্রথমে vpn open করুন তারপর সেখানথেকে Indonesia সিলেক্ট করে Connect বাটনে ক্লিক করুন।

এবার mbasic.facebook.com এ গিয়ে Create a facebook account বাটনে ক্লিক করুন।

নামের ঘরে শুধুমাত্র নামের যেকোন একটা অংশ দিন (যেমন: Sadif)।
এবং বাকি তথ্যগুলো ঠিকভাবে দিয়ে আইডি খুলুন এবং ইচ্ছেমত মজা নিন।

fcebook single নামের আইডির উপকারীতা:
সত্যি বলতে এর কোন উপকারীতা নেই, শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য।

facebook single নামের আইডির অপকাররীতা: উপকারীতা নেই কিন্তু কিছুটা অপকাররীতা ঠিকই আছে, আর সেটা হচ্ছে যেকোন সময় আপনার আইডি ভেরিফাইয়ে পড়বে এবং যেহেতু আপনি Indonesia এর স্থায়ী বাসিন্দা না এবং এমন কোন Documents নেই সেক্ষেত্রে আইডিটা ব্যাক পেতে নাও পারেন। তবে সাবধানতা অবলম্বন করে community standards মেনে চালালে সমস্যা হবেনা।

আজকের জন্য বিদায়। যারা যারা পোস্টটি বুঝতে পারেননি তারা নিচ থেকে ভিডিওটি দেখতে পারেন।

Video Coming Soon... 

আমাদের Internet Army BD গ্রুপে যোগ দিন সবসময় যেকোন সাহায্যের জন্য।

ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সবার জন্য শুভকামনা। 

Saturday, December 15, 2018

এ বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যাবহৃত পাসোয়ার্ডগুলো।

আপনি কি খুব সহজে অনুমান করা যাবে এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন? সাইবার বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে সতর্ক করে বলেন, সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা খুব সহজে বিঘ্নিত হতে পারে। এমন অনেকেই আছে যারা এখনো সহজে পাসওয়ার্ড মনে রাখতে ইংরেজি ‘Password’ শব্দটিকেই নিজের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০১৮ সালের পাসওয়ার্ড ব্যবহারের উপর বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরেও সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় পাসওয়ার্ডটির নামও ‘password’।
এ বছরের সবচেয়ে বেশী ব্যাবহৃত পাসোয়ার্ড
পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্প্ল্যাশডাটা প্রায় ৫০ লাখ পাসওয়ার্ড এর উপর বিশ্লেষণ করে দেখেছে, ২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় পাসওয়ার্ডের মধ্যে রয়েছে ‘password’ ও ‘123456’!


তবে এই বছর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের তালিকার যোগ হয়েছে নতুন আরো একটি শব্দ সেটি হলো ‘donald.’।

এ বছর গ্রাহকের পাসোয়ার্ড জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছে ‘1234567’, ‘12345678’ ও ‘“!@#$%^&*’ পাসওয়ার্ডগুলো। পাসোয়ার্ড জনপ্রিয়তায় 23 নম্বর স্থানে রয়েছে ‘donald.’। এ ছাড়াও ২০১৮ সালের জনপ্রিয় পাসওয়ার্ডের তালিকায় রয়েছে ‘football’, ‘princess’ ও ‘iloveyou’ শব্দ দুটি।


পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্প্ল্যাশডাটার প্রধান নির্বাহী মর্গ্যান স্লেইন বলেন, অনলাইনে থাকা প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ সবচেয়ে বাজে পাসওয়ার্ডগুলোর অন্তত একটি ব্যবহার করে থাকেন। তাই কোনো তারকার নাম বা কিবোর্ডের প্যাটার্ন পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা কোনভাবেই উচিত নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, টানা পাঁচ বছর ধরে ‘123456’ ও ‘password’ পাসওয়ার্ড দুটি সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পরের পাঁচটি দুর্বল পাসওয়ার্ডেরর তালিকায় আছে এক থেকে ছয় সংখ্যাগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা কোনো পাসওয়ার্ড বা একই সংখ্যা কয়েকবার টাইপ করা পাসওয়ার্ড। যেমন এমনই একটি বাজে পাসওয়ার্ড হচ্ছে ‘111111’।


এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সহজে অনুমান করা পাসওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করে হ্যাকাররা প্রথমে হ্যাকিং করার চেষ্টা করে থাকে। অনেক সময়ে এ ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে খুব সহজেই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যায়।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলেন, অক্ষর ও চিহ্ন মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করুন এবং সব অ্যাকাউন্টে সেইম পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করবেননা।

স্প্ল্যাশডাটার পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, অক্ষর, সংখ্যা এবং চিহ্ন মিলিয়ে কমপক্ষে ১২ সংখ্যার একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করুন এবং সেটি নিজের পাসোয়ার্ড হিসেবে ব্যাবহার করুন।

তথ্যসূত্র :

  • https://en.m.wikipedia.org/wiki/List_of_the_most_common_passwords
  • https://amp.usatoday.com/amp/2309855002
  • https://www.weforum.org/agenda/2018/06/popular-passwords-threaten-cyber-security-privacy/
  • https://techshohor.com/news/135068/
  • http://www.prothomalo.com/amp/technology/article/1570156/

কেমন ছিলো পৃথিবীর সর্বপ্রথম স্মার্টফোন "সিমন"?

তখন ছিলো ১৯৯৪ সাল, নিশ্চিতভাবে বলা যায় তখনো পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষই জানেনা মোবাইল /স্মার্টফোন কি এবং অনেকের কাছেই এটা কল্পনা মাত্র।
কিন্তু ঠিক সেই সময়েই অর্থাৎ ১৯৯৪ সালের ১৬ আগস্ট আমেরিকার প্রযুক্তিপন্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান "আইবিএম" (IBM) বাজারে আনে পৃথিবীর সর্বপ্রথম স্মার্টফোন এবং নামটি তার ছিলো "সিমন"।
শুনতে কিছুটা অভাক লাগলেও তৎকালীন ঐ ফোনটিতে ছিলো দারুন সব ফিচার। বর্তমানে স্মার্টফোনের প্রায় সবগুলি ফিচারই ছিলো এই IBM SIMON এর!
পৃথিবীর সর্বপ্রথম স্মার্টফোন সিমন

ফোনটির নাম ছিলো "সিমন" এবং কম্পানির নামের সাথে মিল রেখে ডাকা হতো IBM SIMON। "আইবিএম" কোম্পানির "সিমন" নামের ফোনটিতে ছিলোনা কোন কিবোর্ড ! পুরোপুরি টাচস্ক্রিন ও Stylus এর মাধ্যমে এ স্মার্টফোন ব্যবহার করা হতো। সুতরাং বুঝতেই পারছেন স্মার্টফোনটি ছিলো বর্তমানের স্মার্টফোনগুলার মতোই।

কেমন ছিলো IBM SIMON ফোনটি?

ফোনটির দৈর্ঘ্য ছিল ৮ ইঞ্চি, প্রস্থ ২.৫ ইঞ্চি এবং এর পুরুত্ব ছিল ১.৫ ইঞ্চি।
এর ওজন ছিলো ৫০০ গ্রাম, যার কারনে এটাকে দেখতে বর্তমানে ইটের মত দেখাতো!
এই ফোনের মেমোরি ছিল মাত্র ১ মেগাবাইট আর তথ্য ধারণ ক্ষমতাও ছিল শুধুমাত্র ১ মেগাবাইট।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এর ব্যাটারিটা। এর ব্যাটারির চার্জ থাকতো মাত্র ১ ঘন্টা! অর্থাৎ প্রতিবার চার্জের শেষে ব্যাটারি ১ ঘন্টা পর্যন্ত সচল থাকতো।
সেসময় "সিমন" ফোনের দাম ছিলো ৮৯৯ ($) ডলার।

ঐসময় প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী কপি সিমন বিক্রি করেছিলো আইবিএম কম্পানি।

সায়েন্স মিউজিয়ামের তত্বাবধায়ক চার্লট কর্নেলি বলেন,বর্তমান সময়ের স্মার্টফোনগুলোতে বিদ্যমান ফিচারগুলো অনেক কিছুই ছিলো IBM সিমনে।
বিশেষ করে ম্যাপিং, স্প্রেডশিট গেইম, নোট লেখা, মেইল আদান প্রদান, ফেক্স আদানপ্রদান ইত্যাদি।
যার কারনে সিমনকে তিনি আইফোনের পূর্বপূরুষ বলেও অবিহিত করেন।



তথ্যসূত্র :

  • https://en.m.wikipedia.org/wiki/IBM_Simon
  • https://www.weforum.org/agenda/2018/03/remembering-first-smartphone-simon-ibm/
  • https://www.bbc.com/news/technology-28802053&ved
  • https://www.microsoft.com/buxtoncollection/detail.aspx%3Fid%3D40&ved

Friday, December 14, 2018

আইনিস্টাইনের মস্তিস্ক।

 আলবার্ট আইনস্টাইন যাকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সকল বিজ্ঞানীদের মধ্যে সর্বকালের সেরা মনে করা হয়। ১৮৭৯ সালে জার্মানির উলম শহরের এক ইহুদি পরিবারে জন্ম হয় তার। স্কুল জীবনে তিনি ছিলেন তার ক্লাসের সবচেয়ে ব্যার্থ ছাত্র।
শিক্ষকরা তো বলেই দিয়েছিলেন "তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।" কিন্তু সেই বিজ্ঞানী তাঁর প্রখর মস্তিষ্কের তেজে সবার সমালোচনা ঠেলে হয়ে উঠেন সর্বকালের সেরাদের সেরার একজন।
১৯০৫ সালে তিনি একসাথে মোট ৪টি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন। তৎকালীন সময়ে অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যেখানে আপেক্ষিকতার কিছুই না বুঝে মাথার চুল ছিঁড়ছিলেন তখন আইনিস্টাইন মাত্র ২৬ বছর বয়সে তাঁর বিখ্যাত আপেক্ষিকতার সূত্র প্রতিপাদন করেন এবং বিশ্বে আলোচিতদের খাতায় নাম উঠান।
বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর দেওয়া তত্ত্বগুলো ছাড়া বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ আবিষ্কারই প্রায় অসম্ভব হতো।
বলতেই হবে, আইনস্টাইনের এই সকল তত্ত্ব এবং আবিষ্কারের মূলে ছিল তার চেষ্টা এবং প্রখর মস্তিষ্কের অবদান।
এখন প্রশ্নটা হচ্ছে পদার্থ বিজ্ঞানের এতোসব জটিল তত্ত্বের প্রবক্তার মস্তিষ্ক কি সাধারণ মানুষের মতোই ছিলো?? না তার মস্তিষ্ক ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার ??
চলুন এটা জানতে ঘুরে আসা যাক আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের রাজ্যে।
বিজ্ঞানী আইনিস্টাইনের মস্তিস্ক
আইনিস্টাইনের মস্তিস্ক
১৯৫৫ সালের এপ্রিলে প্রিন্সটন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সারা বিশ্বে ততক্ষনে খবর ছড়িয়ে গেলো আইনস্টাইন আর বেঁচে নেই।
হাসপাতালে অসুস্থ বিজ্ঞানী আইনিস্টাইন
তার মৃত্যুর পর মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের জন্য আমেরিকার তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী  পোস্টমর্টেম করা হলো। আর এই পোস্টমর্টেম করার সময়ই অতি গোপনে একটা কাজ করে ফেলা হয়, আর এই গোপনীয়তার মূলে ছিলেন প্রিন্সটন হাসপাতালের প্যাথলজিস্ট ডাঃ টমাস হার্ভে
পত্রিকায় আইনিস্টাইনের মৃত্যুে খবর
প্রিন্সটন হাসপাতালের প্যাথলজিস্ট ডাঃ টমাস হার্ভের কথা অনুযায়ী তিনি অতি গোপনে আইনস্টাইনের মাথার খুলি ভেদ করে মস্তিষ্ক বা "ব্রেন" বের করে নিয়ে আসেন। উদ্দেশ্য ছিলো তার একটাই, কি বিশেষত্ব আছে পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী বিজ্ঞানীর মস্তিষ্কে তা জানা।।
মৃত্যুর কয়েকদিন পর The New York Times এ খবর বেরলো যে, আইনস্টাইন তার মস্তিষ্ক।  জন্য দান করে গেছেন। এই খবর তৎকালীন সারা বিশ্বে আলোড়ন ছড়িয়ে ফেলে।
এরপর ঘটে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ডঃ টমাস হার্ভে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান! অনেক খোজা খোজির পরেও তার আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
তারপর আস্তে আস্তর মানুষ আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের কথা ভুলে যায় ।

মান্থলি নিউজার্সি নামক একটি পত্রিকার রিপোর্টার স্টিভেন লেভি দাবী করেন যে, তিনি প্যাথলজিস্ট ডাঃ টমাস হার্ভের সন্ধান পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য মতে প্যাথলজিস্ট ডাঃ টমাস হার্ভের সাথে খোশ গল্পের এক পর্যায়ে হঠাৎ তিনি আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের কথা তোলেন। তখন ডাঃ টমাস হার্ভে তাকে একটি জারের মধ্যে আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক দেখান। অপর আরেকটি জারে তিনি চিনাবাদাম আকৃতির কতগুলা ব্লক দেখতে পান যেগুলি মূলত মস্তিস্ককে ছোটছোট করে কেটে রাখা হয়েছিলো। টমাস হার্ভে এই ব্লকগুলো Silurian নামক তরল পদার্থের মধ্যে ঢুবিয়ে রাখেন।
মস্তিস্কের জার হাতে ডাঃ টমাস হার্ভে
এখন যাই আরেকটু অতীতে, ডাঃ টমাস হার্ভে ১৯৫৫ সালে মস্তিষ্ক সংগ্রহের পর থেকেই তা দিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়ে ছিলেন। প্রথমেই তিনি লক্ষ্য করেন আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১২৩০ গ্রাম , অন্যদিকে একজন সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ধরা হয় প্রায় ১৩০০ গ্রাম।
ডাঃ টমাস হার্ভে তখন সিদ্ধান্ত নেন যে মস্তিষ্ককে বিভিন্ন টুকরায় ভাগ করবেন। তিনি তখন মস্তিস্ককে ২৪০টি ব্লকে ভাগ করেন। ব্লকগুলোর কিছু তিনি নিজের কাছে রাখে বাকিগুলা তার সহকর্মী-প্যাথলজিষ্টদের কাছে পাঠান।

সেসময়ে বিজ্ঞানীরা আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের সাথে সাধারণ মানুষের কোনো অালাদা বিশেষত্ব খুঁজে পান নি! কিন্তু এর প্রায় ৩০ বছর পর ১৯৮৫ সালে Marian Diamond লক্ষ করেন তার (আইনিস্টাইন) মস্তিষ্কে সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি পরিমাণ Glial Cell রয়েছে, যা নিউরনকে আরো সহজে এবং দ্রুততার সাথে কাজ করতে সাহায্য করে। এরপর বিভিন্ন সময় বিজ্ঞানীরা তাঁর মস্তিষ্কের আরো কিছু বিশেষত্ব খুজে পান।

এখন আপনি যদি যদি আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক দেখতে চান তাহলে আপনাকে চলে যেতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার Mütter Museum এ। কারণ আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক এখনো সংরক্ষিত আছে সেখানে।

মূল লেখক: দীপংকর চক্রবর্তী
সংশোধিত লেখক: শফিউল আলম

তথ্যসূত্র :
  • www.bbc.com/news/magazine-32354300
  • www.nationalgeographic.com/science/phenomena/2014/04/21/the-tragic-story-of-how-einsteins-brain-was-stolen-and-wasnt-even-special/
  • m.somewhereinblog.net/mobile/blog/DeepankarDip/30202070
  • www.indiatoday.in/education-today/gk-current-affairs/story/who-stole-einstein-s-brain-and-what-was-special-about-it-1214618-2018-04-18
  • https://www.damninteresting.com/the-whereabouts-o

বাংলাদেশীদের পেওনিয়ার মাষ্টারকার্ড পেতে গুনতে হবে ১০০$।

ক্যাটাগরি
অনলাইনে যারা কাজ করেন  তাদেরকাছে পেওনিয়ার একটি অতি পরিচিত নাম।
পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে আপনি চাইলে অনলাইনে কেনাকাটা, ফ্রিলেন্সার সাইটগুলো থেকে ডলার উঠানো, বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে আপনার পন্যের প্রমোট দিতে পারবেন।
পেওনিয়ার কার্ড
পেওনিয়ার মাষ্টারকার্ড 
অতীতে বাংলাদেশী পেওনিয়ার গ্রাহকরা চাইলে অতী সহজেই কার্ডটির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারতো এবং ফ্রিতেই এটা পেয়ে যেতো যা আবেদনের ১ মাসের মধ্যে ডাকযোগে কার্ড এসে উপস্থিত হতো ঘরের দরজায়।

তবে এখন থেকে আর এত সহজে পেওনিয়ার কার্ড পাবেননা বাংলাদেশী গ্রাহকরা।
পেওনিয়ার কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আরো জানান, স্পামিং এবং কার্ড অর্ডার করে নিয়ম অনুযায়ী কার্ড এক্টিব না করা ইত্যাদি কারনে বাংলাদেশে ফ্রি তে কার্ড প্রদান বন্ধ করেছে পেওনিয়ার।
তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী পেওনিয়ার কার্ড পেতে সর্বোনিম্ন ১০০$ নিজ একাউন্টে লোড করে তারপর কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে বাংলাদেশী গ্রাহকদের এবং তাহলেই শুধুমাত্র তারা কার্ডটি পাবে।
এর আগে ঠিক একই কারনে ভারতে ফ্রিতে মাস্টারকার্ড প্রদান বন্ধ করে পেওনিয়ার।

উল্লেখ্য, অতীতে কিছু অসাধু লোক পেওনিয়ার থেকে ফ্রিতে মাস্টারকার্ড নিতো এবং পরবর্তীতে সেটা চওড়া দামে বিক্রি করতো। এবং কিছু লোক কৌতূহল বশত কার্ড নিতো কিন্তু সেটা এক্টিব না করেই বিছানার নিচে কিংবা মানিব্যাগে রেখে দিতো।

তবে নতুন নিয়মের ফলে সেটি শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
বলে রাখা ভালো পেওনিয়ার একটি আন্তর্জাতিক মাষ্টারকার্ড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যারা সারা বিশ্বে ডুয়েল কারেন্সি মাস্টারকার্ড প্রদান করে থাকে যার বাৎসরিক সার্ভিস চার্জ ১০০$।

সুতরাং আপনি যদি চান আপনার একটি মাষ্টারকার্ড থাকুক তবে আজই আবেদন করতে পারেন পেওনিয়ার মাষ্টারকার্ডের জন্য।